আমি আছি আপনার সাথে
https://tackk.com/mostafa10

Helpline!- Email-  info.flairitbd@gmail.com
      Mobile- 01815979663


ই -মেইল- info.flairitbd@gmail.com


*চরম জোক্স
অফিসারঃ আপনার নাম কি?
প্রার্থীঃ M.P স্যার।
অফিসারঃ এম.পি তারমানে কি?
প্রার্থীঃ মহন পাল স্যার।
অফিসারঃ আপনার পিতার নামকি?
প্রার্থীঃ এম.পি স্যার।
অফিসারঃ তার মানে কি?
প্রার্থীঃ মদন পাল স্যার।
অফিসারঃ আপনার যোগ্যতা?
প্রার্থীঃ এম.পি স্যার।
অফিসারঃ(রাগ করে) এইটা কি?
প্রার্থীঃ মেট্রিক পাস স্যার।
অফিসারঃ আপনে কেন কাজ চান?
প্রার্থীঃ এম.পি স্যার।
অফিসারঃ (অঅহহ)তার মানে কি?
প্রার্থীঃ মানি প্রব্লাম স্যার।
অফিসারঃ আপনার PERSONALITY বর্ণনা করেন।
প্রার্থীঃ এম.পি স্যার।
অফিসারঃ খুলে বলেন।
প্রার্থীঃ MAGNANIMOUS
PERSONALITY স্যার।
অফিসারঃ আপনে আসতে পারেন।
প্রার্থীঃ এম.পি স্যার ?
অফিসারঃ এইটা কি আবার ? প্রার্থীঃ MY PERFORMANCE …?
অফিসারঃ M.P!!!
প্রার্থীঃ তার মানে কি স্যার?
অফিসারঃ MENTALLY

PUNCTURED…*

***

*মন্টু :- জানু তুমি এখন চেঞ্জ
হয়ে গেছো।
মেয়ে :- কিভাবে?
মন্টু :- এখন তোমাকে Kiss
করলে
তুমি চোখ বন্ধ করো না কেন? .
.
মেয়ে :- 'হারামখোর' গতবার
চোখ বন্ধ করছি।
আর আমার ৫০০ থেকে ২০০
টাকা উধাও.....*

***

*২ মহিলার কথোপকথন…
১ম মহিলাঃ আমাদের
দুধওয়ালা সকাল বেলা খুব
বেশি বেশি টিপে ।
২য় মহিলাঃ কি টিপে?
১ম মহিলাঃ . . . . . কলিং বেল…!!
২য় মহিলাঃ আরে রাখ তোর
ফাপর..!শোন, আমাকে যে দিয়ে যায়
সে টিপাটিপি করে না…!!
ডাইরেক্ট নিচ
দিয়া ঢুকাইয়া দেয়…!!
১ম মহিলাঃ কি ঢুকায়??

২য় মহিলাঃ পেপার
ওয়ালা দরজার নিচ দিয়া নিউজ
পেপার…!!
মজা পাইলে শেয়ার করবেন প্লীজ*

***

জামাইঃ একটু চালাক
না হইলে দুনিয়াতে টেকা খুব
মুশকিল!
এইযে যেমন ধরেন, একই
স্ট্যাটাস
আপনি কষ্ট
করে লেখে পাইলেন
তিনটা লাইক,আর আমি আপনার
লেখা কপি করে পাইলাম
তিনশো লাইক!
শ্বশুরঃ লেখা চুরি করে লাইক
বেশী পাইলেই কি লেখক
হওয়া যায় ?! জামাইঃ হে !
হে ! কেন
যাবেনা?
শ্বশুরঃ অতি চালাকের
ভবিষ্যত
কিন্তু ভালো না!
[দিন দুয়েক পর ... ]
বৌঃ আমি যাবোনা তোমার
সাথে!
জামাইঃ কেন যাবানা ??
শ্বশুরঃ কি হইসেরে মা ?
বৌঃ আব্বা !
আপনার জামাই
খালি লেখা চুরি করে !
এইযে দেখেন একজন ফেসবুকের
বিখ্যাত লেখকের
লেখা কপি কইরা গালি খাইসে কয়েক
হাজার ! আর
কি একটা প্রোফাইল
বানাইসে মানুষ খালি হাসে !
জামাইঃ না , ইয়ে মানে ,
আব্বা ...
শ্বশুরঃ মানে মাত্র ১00
লাইক
কামাইতে গিয়া তুমি চুরি করো মানুষের
লেখা ! আর আমি লেখি নিজের
মেধা দিয়ে লেখা !
জামাইঃ থুক্কু ...
শ্বশুরঃ শোনো লেখা যেইটা ভালো লাইক
তার একটু বেশী...
বিজ্ঞাপনটি শেষ
হইলো ...

***

*তুই কি আমার দুঃখ হবি?
___ আনিসুল হক

তুই কি আমার দুঃখ হবি?
এই আমি এক উড়নচন্ডী আউলা বাউল
রুখো চুলে পথের ধুলো
চোখের নীচে কালো ছায়া
সেইখানে তুই রাত বিরেতে স্পর্শ দিবি।

তুই কি আমার দুঃখ হবি?
তুই কি আমার শুষ্ক চোখে অশ্রু হবি?
মধ্যরাতে বেজে ওঠা টেলিফোনের ধ্বনি হবি?
তুই কি আমার খাঁ খাঁ দুপুর
নির্জনতা ভেঙে দিয়ে
ডাকপিয়নের নিষ্ঠ হাতে
ক্রমাগত নড়তে থাকা দরজাময় কড়া হবি?

একটি নীলাভ এনভেলাপে পুরে রাখা
কেমন যেন বিষাদ হবি?
তুই কি আমার শুন্য বুকে
দীর্ঘশ্বাসের বকুল হবি?
নরম হাতের ছোঁয়া হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি,
নীচের ঠোট কামড়ে ধরা রোদন হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি

প্রতীক্ষার এই দীর্ঘ হলুদ বিকেল বেলায়
কথা দিয়েও না রাখা এক কথা হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি
তুই কি একা আমার হবি?

তুই কি আমার একান্ত এক দুঃখ হবি ?*

***

হিসেব
--- তসলিমা নাসরিন

কতটুকু ভালবাসা দিলে,
ক' তোড়া গোলাপ দিলে,
কতটুকু সময়,কতটা সমুদ্র দিলে,
কটি নির্ঘুম রাত দিলে,ক ফোঁটা জল দিলে চোখের—
সব যেদিন ভীষন আবেগে শোনাচ্ছিলে আমাকে,
বোঝাতে চাইছিলে আমাকে খুব ভালোবাসো!

আমি বুঝে নিলাম—
তুমি আমাকে এখন আর 'একটু ও ভালোবাসো না।
ভালোবাসা ফুরোলেই মানুষ হিসেব কষতে বসে,
তুমিও বসেছো।

ভালোবাসা ততদিনই ভালোবাসা
যতদিন এটি অন্ধ থাকে,বধির থাকে,
যতদিন এটি বেহিসেবি থাকে...

***

*ভালোবাসা মোরে ভিখারি করেছে
--- কাজী নজরুল ইসলাম

ভালোবাসা মোরে ভিখারি করেছে
তোমারে করেছে রাণী ।
তোমারই দুয়ারে কুড়াতে এসেছি
ফেলে দেওয়া মালাখানি,
নয়নের জলে যে কথা জানাই
সে ব্যথা আমার কেহ বোঝে নাই
মেঘের মরমে যে মিনতি কাঁদে
চাঁদ বুঝিবে না জানি;
ভালোবাসা মোরে ভিখারি করেছে
তোমারে করেছে রাণী ।
মাধবীলতা গো আজ তুমি
আছ ফুলের স্বপন সুখে
একদিন যবে ফুল ঝরে যাবে
লুটাবে ধূলির বুকে ।
খেয়ালী প্রেমের খেলা বোঝা দায়,
কখনো হাসায় কখনো কাঁদায়
মুক হয়ে যায় কারও মুখরতা,
কারও মুখে জাগে বাণী
ভালোবাসা মোরে ভিখারি করেছে
তোমারে করেছে রাণী ।*

***

*দিবস রজনী"
_____রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দিবস রজনী, আমি যেন কার
আশায় আশায় থাকি।
তাই চমকিত মন, চকিত শ্রবণ,
তৃষিত আকুল আঁখি॥

চঞ্চল হয়ে ঘুরিয়ে বেড়াই, সদা মনে হয়
যদি দেখা পাই--
'কে আসিছে' বলে চমকিয়ে চাই
কাননে ডাকিলে পাখি॥

জাগরণে তারে না দেখিতে পাই,
থাকি স্বপনের আশে--
ঘুমের আড়ালে যদি ধরা দেয়,
বাঁধিব স্বপনপাশে।
এত ভালোবাসি, এত যারে চাই,
মনে হয় না তো
সে যে কাছে নাই--
যেন এ বাসনা ব্যাকুল আবেগে,
তাহারে আনিবে ডাকি॥ ♪♪

`শ- তে শুভ*

*তুই তো বন্ধু চলেই গেলি
কাদিয়ে গেলি মোরে ।
ভাল থাকিস, কথা বলিস
আরকি বলি তোরে ।
তুই তো বন্ধু চলেই গেলি
আমায় একা করে ।
এই হৃদয়ের ভালবাসা, যত আছে
সবই দিলাম তোরে ।
তুই তো বন্ধু চলেই গেলি
পড়ছে স্মৃতি মনে ।
ঝরো ঝরো বৃষ্টিধারা
বইছে কেন মনে ।
তুইতো বন্ধু চলেই গেলি
আসিস আবার ফিরে ।
হয়তো আমায় ভুলেই যাবি
অনেক বন্ধুর ভীড়ে ।*

***

*যাত্রাভঙ্গ
--- নির্মলেন্দু গুন

হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোকে
মন বাড়িয়ে ছুঁই,
দুইকে আমি এক করি না
এক কে করি দুই।

হেমের মাঝে শুই না যবে,
প্রেমের মাঝে শুই
তুই কেমন কর যাবি?
পা বাড়ালেই পায়ের ছায়া
আমাকেই তুই পাবি।

তবুও তুই বলিস যদি যাই,
দেখবি তোর সমুখে পথ নাই।

তখন আমি একটু ছোঁব
হাত বাড়িয়ে জড়াব তোর
বিদায় দুটি পায়ে,
তুই উঠবি আমার নায়ে,
আমার বৈতরণী নায়ে।

নায়ের মাঝে বসবো বটে,
না-এর মাঝে শোবো,
হাত দিয়েতো ছোঁব না মুখ
দুঃখ দিয়ে ছোঁব। *

***


*কষ্ট কাকে বলে jQuery2100423702790401876_1401504557516

আমার একলা আকাশ
যদি তোমাকে দেখানো যেত
বুঝতে শূন্যতা কাকে বলে
আমার একটা নিঃসঙ্গ রাত
যদি তোমাকে দেয়া যেত
বুঝতে তুমি ঘুমহীন রাত কাকে বলে
আমার ছোট ছোট স্বপ্ন যদি
তোমার হাতে তুলে দেয়া যেত
বুঝতেই তুমি স্বপ্ন কাকে বলে
আমার অস্থির পথে
তোমাকে যদি হাঁটানো যেত
বুঝতেই তুমি একা চলা কাকে বলে
আমার না বলা কথা গুলো
বুকে কান পেতে যদি শুনতে
বুঝতেই তুমি হৃদয় কাকে খুঁজে
পেয়েও না পাওয়ার যন্ত্রণা
যদি তোমার দুচোখের পাতায়
রাখা যেত
বুঝতেই তুমি কষ্ট কাকে বলে ???*

***

যখন কোনো বিবাহ যোগ্য ছেলে বা মেয়ের

যখন কোনো বিবাহ যোগ্য ছেলে বা মেয়ের মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করা যায়, যা তার মাঝে আগে ছিল না। তখন অনেককেই বলতে শোনা যায়, বিয়ের পর সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু যদি না হয়। এই ভুল ধারণার কারণে অনেকেই বিয়ের পর অশান্তিতে ভোগেন। ওনেক ক্ষেত্রে বিয়ে ভেঙ্গেও যায়।

বিয়ে সম্পর্কে প্রচলিত কিছু মিথ্যা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

সন্তান হলেই সংসার টিকবে
সাংসারিক জীবনে যখন ঝামেলা চলতেই থাকে তখন অনেকেই বলেন সন্তান হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। সন্তান হলো সংসারের বন্ধন দৃঢ় করার হাতিয়ার। কিন্তু যেই সম্পর্কটি ভুল সেটা সন্তান জন্মের পড়েও নানান সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই সন্তান হলেই সংসার টিকে যাবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

বিয়ের পড়ে ঝগড়া হবে না
প্রেমের সম্পর্কের বেলায় মাঝে মাঝেই ঝগড়া হতো। খুব ছোট বিষয় নিয়েও হতো কথা কাটাকাটি। তখন বন্ধুরা বলেছিলো বিয়ে করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। ঝগড়াঝাটির অবসান ঘটবে। এ কারণে অনেকেই ভুল সম্পর্ককে বিয়ে পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। ফলে নানান ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

বিয়ের পড়ে ছেলে/মেয়ে শুধরে যাবে
বখাটে বা নেশাগ্রস্থ ছেলে মেয়েদের ক্ষেত্রে অনেক অভিভাবকরা বলে থাকেন, বিয়ে করিয়ে দিলেই আপনার ছেলে/মেয়ে শুধরে যাবে। কিন্তু এটি বিয়ে সম্পর্কে একটি বড় মিথ্যা কথা। বিয়ের পড়ে ছেলে/মেয়ে কখনই নিজেকে শুধরে নিতে পারে না। বরং জোর করে বিয়ে করিয়ে দেয়ার কারণে বাবা মায়ের উপর এবং নিজের সঙ্গীর উপর অভিমান ও ক্ষোভ বাড়ে। যার পরিণতি সম্পর্কের বিচ্ছেদ।

বিয়ে মানেই একাকিত্ব দূর হয়ে যাওয়া
যারা একা আছেন তাদের ধারণা বিয়ে করলেই একাকিত্ব দূর হয়ে যাবে। কিন্তু নিজের পাশের মানুষটি যদি আপনার জন্য সঠিক নির্বাচন না হয় তাহলে সঙ্গী থাকার পরেও আপনি রয়ে যাবেন একা। মনের অমিল, চিন্তা-চেতনার পার্থক্য এবং আরও নানা কারণে বিয়ের পরেও আপনি হয়ে যেতে পারেন মানসিকভাবে একা ও অসহায়। তখন কষ্ট আরও বেশি অনুভুত হবে।

***


বয়ঃসন্ধিকালের সময়টা

সন্তানকে বোঝার চেষ্টা করতে হবে। তার সঙ্গে যতটা সম্ভব দূরত্ব কমিয়ে আনলে সেটি সন্তানের জন্যই ভালো হবে। মডেল: কনা, আলভী ও কনক।

সন্তানের কথা আড়ি পেতে শোনা ঠিক নয়

১৭ বছরের তানিয়া ঘরের দরজা বন্ধ করে পড়ালেখা করে। মা প্রায়ই জিগ্যেস করেন দরজা বন্ধ কেন? এতে তানিয়া বিরক্ত তো হয়ই, মাঝে মাঝে মার ওপর রেগে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।
শামসের সমস্যা আবার একটু অন্য ধরনের। তার বয়স ১৩। সে সব সময় মনে করে তার মা-বাবা ১৮ বছর বয়সী বোনকে বেশি ভালোবাসেন। এ জন্য মা-বাবার ওপর অভিমান আর বোনের সঙ্গে প্রতিদিনই ঝগড়া।
তানিয়া ও শামস এখন বয়ঃসন্ধিকালের সময়টা পেরোচ্ছে। বয়স ১৩ থেকে ১৯-এর পুরো সময়টাই বয়ঃসন্ধিকাল। এই বয়সে শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মনোজগতের পরিবর্তন ঘটে।
শিশু বা কোমলমতি কিশোরটির আচরণ হঠাৎ করে যেন পরিবর্তিত হয়ে যায়। মা-বাবার কথার বিরোধিতা, তর্ক, মুখ ঝামটা আর তাচ্ছিল্যপূর্ণ আচরণ করে কেউ কেউ। অনেকে চুপচাপ হয়ে যায়—কারও সঙ্গে খুব প্রয়োজন ছাড়া কথাই বলে না। পারিবারিক অনুষ্ঠানগুলো এড়িয়ে চলে। বন্ধুদের চাপে বা নিছক কৌতূহলে বা নিজেকে স্মার্ট দেখাবে এমন ভুল ধারণা থেকে জড়িয়ে পড়ে কেউ মাদকের নেশায়। হুট করে প্রেমে পড়ে যায় অনেকে—আবার কারও বা সম্পর্ক ভেঙে যায় সহজেই। অন্যের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করে হীনন্মন্যতায়ও আক্রান্ত হতে পারে অথবা খুব বড় হয়ে গেছি মনে করে উদ্ধত আচরণও করতে পারে। আমাকে কেউ বুঝল না, আমাকে কেউ ভালোবাসেনা—কেউ বা সামাজিক রীতিনীতি ভাঙার মধ্যেই বিনোদন খুঁজে বেড়ায়। পরিচয়ের সংকটে পড়ে যেতে পারে এই বয়সের ছেলেমেয়েরা।
তবে সবাই কিন্তু সমস্যায় পড়ে না, বরং বেশির ভাগই স্বাভাবিক নিয়মে পারিপার্শ্বিকতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয় ও সাবলীলভাবে বেড়ে ওঠে।
বেশ কিছু কারণে বয়ঃসন্ধিকালের ছেলেমেয়েদের মধ্যে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
l মা-বাবার মধ্যে যদি সব সময় দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগে থাকে
l যদি পারিবারিক নিয়মকানুন হয় খুব অগোছালো। সন্তান পালনে মা-বাবার ভূমিকা যদি যথাযথ না হয়
l বন্ধুদের প্রভাব যদি কারও ওপর বেশি থাকে
l পরিবারে যদি মাদকাসক্ত সদস্য থাকে
l স্কুল-কলেজে যদি প্রতিনিয়ত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ বা উত্ত্যক্তের শিকার হতে হয়
l ব্যক্তিত্ব যদি খুব বেশি দৃঢ় না হয় বা যদি আলাদা কোনো মানসিক সমস্যা থেকে থাকে তবেই এ বয়সের ছেলেমেয়েরা পড়তে পারে সমস্যায়। তখন তারা নানা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করে।
এই ভেবে ভেবে জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা আসতে পারে কারও মধ্যে। বয়ঃসন্ধিকালের ছেলেমেয়েদের মন বুঝতে ও এই বয়সের সমস্যা থেকে তাদের দূরে রাখতে মা-বাবার যা করা উচিত তা হলো:

ভালোবাসা প্রকাশ
সন্তানের প্রতি আপনার যে ভালোবাসা—তা প্রকাশ করুন, কথায় ও কাজের মাধ্যমে। ‘সে আমার ভালোবাসা বোঝে না কেন’ বলে অনুযোগ করবেন না।

বন্ধুভাবাপন্ন
তার সঙ্গে যতটা সম্ভব দূরত্ব কমিয়ে আনার চেষ্টা করুন, যাতে সে আপনাকে বন্ধু হিসেবে মনে করে।

কম চাপ
তার ওপর অযথা চাপ তৈরি করবেন না। ‘তোমাকে জিপিএ ফাইভ পেতেই হবে’, ‘তোমাকে বুয়েটে চান্স পেতেই হবে’ এসব বলে তাকে কোনো হুমকির মধ্যে রাখবেন না। সবকিছুর জন্য তাকে আলটিমেটাম দেবেন না।

তুলনা নয়
কোনো ধরনের তুলনা করবেন না, এতে তার মনোবল কমে যায়, এর ফলে হতাশা থেকে সে অবাধ্য আচরণ করতে পারে। এমনকি আপন ভাই বা বোনের সঙ্গেও তুলনা করবেন না।

উৎসাহ দেওয়া
তার স্বাভাবিক ও ভালো কাজের প্রতি উৎসাহ দিন। নিজে তার সঙ্গে এসব কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করুন।

প্রযুক্তিবান্ধব হন
মুঠোফোন, ইন্টারনেট বরং এগুলোর ভালো ও উপকারী দিক নিয়ে তার সঙ্গে বেশি বেশি আলাপ করুন ও তাকে ইতিবাচকভাবে নির্দিষ্ট সময়ে এগুলো ব্যবহারে উৎসাহ দিন।

গোপন নজরদারি নয়
তার অনুপস্থিতিতে মুঠোফোনের মেসেজ, কম্পিউটারের মেইল এসব খুলবেন না। তার ব্যক্তিগত জগৎ গড়ে উঠতে দিন।

ব্যাখ্যা করুন
কোনো বিষয়ে তার সঙ্গে আপনার মতের অমিল হলে অযথা রাগারাগি না করে আপনার যুক্তিগুলো ব্যাখা করুন।

দায়িত্ব দিন
সে ছেলে বা মেয়ে যেই হোক না কেন, তাকে মাঝেমধ্যে বাড়তি দায়িত্ব দিন। এতে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে।

মতামত নিন
পারিবারিক যেকোনো বিষয়ে তার মতামত জানার চেষ্টা করুন।

বন্ধুদের গুরুত্ব দেওয়া
সন্তানের বন্ধুদের তাচ্ছিল্য করবেন না। তাদের যথাযথ গুরুত্ব দিন, তাদের সঙ্গে আপনিও যতটা সম্ভব বন্ধুভাবাপন্ন হন।

আবেগকে মূল্য দিন
সে হঠাৎ করে কোনো প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে গেলে মাথা গরম করবেন না, তার আবেগকে বুঝে আপনার মতামত ব্যাখা করুন।

যৌনতার বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখা
বিজ্ঞানভিত্তিক সঠিক ব্যাখা পেতে পারে এমন বই পড়ার সুযোগ করে দিন।

সতর্ক থাকুন
কোনো অসৎসঙ্গে মিশছে কি না, নেশা গ্রহণ করছে কি না, এসব নিয়ে সতর্ক থাকুন। এ ধরনের কোনো লক্ষণ দেখলে দেরি না করে তার সঙ্গে খোলামেলা আলাপ করুন ও আপনজনদের পরামর্শ নিন।
এ ছাড়া অনেক মানসিক সমস্যা বয়ঃসন্ধিকালে শুরু হতে পারে। তাই তার চিন্তা ও আচরণে খুব বেশি অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
লেখক: মনোচিকিৎসক

https://tackk.com/mostafa10

কম্পিউটার সম্পরকে জানতে এখানে Click করুন.

কম্পিউটার

কম্পিউটার 2

কম্পিউটার চালাতে গেলে অনেক সময় দেখা যায় কোন একটা প্রোগ্রাম হঠাৎ হ্যাং হয়ে যায়। তখন এই সমস্যা হতে উদ্ধার হওয়ার জন্য আমরা টাস্ক ম্যানেজারের কাছে সাহায্য চাই। কিন্তু আপনি খুব সহজে এক ক্লিকে বন্ধ করতে পারবেন আপনার হ্যাং হয়ে যাওয়া প্রোগ্রাম।

এর জন্য প্রথমে ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করুন এবং new তে গিয়ে shortcut সিলেক্ট করুন তাহলে আপনার শর্টকাট এর লোকেশন জানতে চাইবে। সেখানে নিচের লেখাটি কপি করে পেস্ট করে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন। ‘taskkill.exe /f /fi “status eq not responding’

শর্টকাটটির পছন্দমত একটি নাম দিন এবং ফিনিশ বাটনে ক্লিক করুন। দেখবেন আপনার দেওয়া নামে একটা শর্টকাট তৈরী হয়েছে আপনার ডেস্কটপে এখন থেকে কোন প্রোগ্রাম হ্যাং হলে শুধু এখানে একবার ডাবল ক্লিক করুন। বন্ধ হয়ে যাবে আপনার হ্যাং হওয়া প্রোগ্রাম।

***

Photo Size

Stamp Size Photo (0.9 inch X 0.125 inch)

Passport Size Photo (1.6 inch X 2 inch)

3R Size Photo (3.5 inch X 5 inch)

4R Size Photo (4.6 inch X 6 inch)

5R Size Photo (5.7 inch X 5 inch)

8R Size Photo (8 inch X 10 inch)

10R Size Photo (10 inch X 12 inch)

***

Keyboard Shortcuts (Microsoft Windows)

1. CTRL+C (Copy)
2. CTRL+X (Cut)
... 3. CTRL+V (Paste)
4. CTRL+Z (Undo)
5. DELETE (Delete)
6. SHIFT+DELETE (Delete the selected item permanently without placing the item in the Recycle Bin)
7. CTRL while dragging an item (Copy the selected item)
8. CTRL+SHIFT while dragging an item (Create a shortcut to the selected item)
9. F2 key (Rename the selected item)
10. CTRL+RIGHT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next word)
11. CTRL+LEFT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous word)
12. CTRL+DOWN ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next paragraph)
13. CTRL+UP ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous paragraph)
14. CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (Highlight a block of text)
SHIFT with any of the arrow keys (Select more than one item in a window or on the desktop, or select text in a document)
15. CTRL+A (Select all)
16. F3 key (Search for a file or a folder)
17. ALT+ENTER (View the properties for the selected item)
18. ALT+F4 (Close the active item, or quit the active program)
19. ALT+ENTER (Display the properties of the selected object)
20. ALT+SPACEBAR (Open the shortcut menu for the active window)
21. CTRL+F4 (Close the active document in programs that enable you to have multiple documents opensimultaneously)
22. ALT+TAB (Switch between the open items)
23. ALT+ESC (Cycle through items in the order that they had been opened)
24. F6 key (Cycle through the screen elements in a window or on the desktop)
25. F4 key (Display the Address bar list in My Computer or Windows Explorer)
26. SHIFT+F10 (Display the shortcut menu for the selected item)
27. ALT+SPACEBAR (Display the System menu for the active window)
28. CTRL+ESC (Display the Start menu)
29. ALT+Underlined letter in a menu name (Display the corresponding menu) Underlined letter in a command name on an open menu (Perform the corresponding command)
30. F10 key (Activate the menu bar in the active program)
31. RIGHT ARROW (Open the next menu to the right, or open a submenu)
32. LEFT ARROW (Open the next menu to the left, or close a submenu)
33. F5 key (Update the active window)
34. BACKSPACE (View the folder onelevel up in My Computer or Windows Explorer)
35. ESC (Cancel the current task)
36. SHIFT when you insert a CD-ROMinto the CD-ROM drive (Prevent the CD-ROM from automatically playing)
Dialog Box - Keyboard Shortcuts
1. CTRL+TAB (Move forward through the tabs)
2. CTRL+SHIFT+TAB (Move backward through the tabs)
3. TAB (Move forward through the options)
4. SHIFT+TAB (Move backward through the options)
5. ALT+Underlined letter (Perform the corresponding command or select the corresponding option)
6. ENTER (Perform the command for the active option or button)
7. SPACEBAR (Select or clear the check box if the active option is a check box)
8. Arrow keys (Select a button if the active option is a group of option buttons)
9. F1 key (Display Help)
10. F4 key (Display the items in the active list)
11. BACKSPACE (Open a folder one level up if a folder is selected in the Save As or Open dialog box)

Microsoft Natural Keyboard Shortcuts
1. Windows Logo (Display or hide the Start menu)
2. Windows Logo+BREAK (Display the System Properties dialog box)
3. Windows Logo+D (Display the desktop)
4. Windows Logo+M (Minimize all of the windows)
5. Windows Logo+SHIFT+M (Restorethe minimized windows)
6. Windows Logo+E (Open My Computer)
7. Windows Logo+F (Search for a file or a folder)
8. CTRL+Windows Logo+F (Search for computers)
9. Windows Logo+F1 (Display Windows Help)
10. Windows Logo+ L (Lock the keyboard)
11. Windows Logo+R (Open the Run dialog box)
12. Windows Logo+U (Open Utility Manager)
13. Accessibility Keyboard Shortcuts
14. Right SHIFT for eight seconds (Switch FilterKeys either on or off)
15. Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (Switch High Contrast either on or off)
16. Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK (Switch the MouseKeys either on or off)
17. SHIFT five times (Switch the StickyKeys either on or off)
18. NUM LOCK for five seconds (Switch the ToggleKeys either on or off)
19. Windows Logo +U (Open Utility Manager)
20. Windows Explorer Keyboard Shortcuts
21. END (Display the bottom of the active window)
22. HOME (Display the top of the active window)
23. NUM LOCK+Asterisk sign (*) (Display all of the subfolders that are under the selected folder)
24. NUM LOCK+Plus sign (+) (Display the contents of the selected folder)
25. NUM LOCK+Minus sign (-) (Collapse the selected folder)
26. LEFT ARROW (Collapse the current selection if it is expanded, or select the parent folder)
27. RIGHT ARROW (Display the current selection if it is collapsed, or select the first subfolder)
Shortcut Keys for Character Map
After you double-click a character on the grid of characters, you can move through the grid by using the keyboard shortcuts:
1. RIGHT ARROW (Move to the rightor to the beginning of the next line)
2. LEFT ARROW (Move to the left orto the end of the previous line)
3. UP ARROW (Move up one row)
4. DOWN ARROW (Move down one row)
5. PAGE UP (Move up one screen at a time)
6. PAGE DOWN (Move down one screen at a time)
7. HOME (Move to the beginning of the line)
8. END (Move to the end of the line)
9. CTRL+HOME (Move to the first character)
10. CTRL+END (Move to the last character)
11. SPACEBAR (Switch between Enlarged and Normal mode when a character is selected)
Microsoft Management Console (MMC)
Main Window Keyboard Shortcuts
1. CTRL+O (Open a saved console)
2. CTRL+N (Open a new console)
3. CTRL+S (Save the open console)
4. CTRL+M (Add or remove a console item)
5. CTRL+W (Open a new window)
6. F5 key (Update the content of all console windows)
7. ALT+SPACEBAR (Display the MMC window menu)
8. ALT+F4 (Close the console)
9. ALT+A (Display the Action menu)
10. ALT+V (Display the View menu)
11. ALT+F (Display the File menu)
12. ALT+O (Display the Favorites menu)

MMC Console Window Keyboard Shortcuts
1. CTRL+P (Print the current page or active pane)
2. ALT+Minus sign (-) (Display the window menu for the active console window)
3. SHIFT+F10 (Display the Action shortcut menu for the selected item)
4. F1 key (Open the Help topic, if any, for the selected item)
5. F5 key (Update the content of all console windows)
6. CTRL+F10 (Maximize the active console window)
7. CTRL+F5 (Restore the active console window)
8. ALT+ENTER (Display the Properties dialog box, if any, for theselected item)
9. F2 key (Rename the selected item)
10. CTRL+F4 (Close the active console window. When a console has only one console window, this shortcut closes the console)
Remote Desktop Connection Navigation
1. CTRL+ALT+END (Open the Microsoft Windows NT Security dialog box)
2. ALT+PAGE UP (Switch between programs from left to right)
3. ALT+PAGE DOWN (Switch between programs from right to left)
4. ALT+INSERT (Cycle through the programs in most recently used order)
5. ALT+HOME (Display the Start menu)
6. CTRL+ALT+BREAK (Switch the client computer between a window and a full screen)
7. ALT+DELETE (Display the Windows menu)
8. CTRL+ALT+Minus sign (-) (Place a snapshot of the active window in the client on the Terminal server clipboard and provide the same functionality as pressing PRINT SCREEN on a local computer.)
9. CTRL+ALT+Plus sign (+) (Place asnapshot of the entire client window area on the Terminal server clipboardand provide the same functionality aspressing ALT+PRINT SCREEN on a local computer.)

Microsoft Internet Explorer Keyboard Shortcuts
1. CTRL+B (Open the Organize Favorites dialog box)
2. CTRL+E (Open the Search bar)
3. CTRL+F (Start the Find utility)
4. CTRL+H (Open the History bar)
5. CTRL+I (Open the Favorites bar)
6. CTRL+L (Open the Open dialog box)
7. CTRL+N (Start another instance of the browser with the same Web address)
8. CTRL+O (Open the Open dialog box,the same as CTRL+L)
9. CTRL+P (Open the Print dialog box)
10. CTRL+R (Update the current Web page)
11. CTRL+W (Close the current window

***

পেনড্রাইভের দরকারি ফাইল হঠাৎ ভাইরাস এ আক্রান্ত কি করবেন ?

অনেক সময় দেখা যায় পেনড্রাইভে ভরে দরকারি কোনো ফাইল নিয়ে গেলেন প্রিন্ট করার জন্য। তখন আপনার পেনড্রাইভটি নিয়ে ভালো কোনো কম্পিউটারে পরীক্ষা করবে। পরীক্ষা বা স্ক্যান করার সময় হয়তো দেখা গেল পেনড্রাইভে ভাইরাস বা ওয়ার্ম রয়েছে। ভাইরাস আক্রান্ত কিছু ফাইলকে অ্যান্টিভাইরাস মুছে দিতে পারে। স্ক্যান শেষ হওয়ার পর পেনড্রাইভ ফাঁকা দেখাতে পারেন। অর্থাৎ পেনড্রাইভে কিছুই নেই।

ভয়ের কিছু নেই। এমন হলে পেনড্রাইভে মাউসের ডান ক্লিক করে প্রোপার্টিজে গিয়ে দেখা যাবে যে পেনড্রাইভে কিছু ফাইল বা ডেটা আছে কিন্তু সেগুলো দেখা যাচ্ছে না। সেগুলো দেখার জন্য My Computer-এর মেনুবারের Tools থেকে Folder options নির্বাচন করে View-এ ক্লিক করুন। এখন Show hidden files and folders-এ টিক চিহ্ন দিন এবং Hide extensions.. এবং Hide protected.. বক্স থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন দেখবেন পেনড্রাইভে আপনার ফাইল, ফোল্ডারগুলো লুকানো অবস্থায় দেখা যাচ্ছে এবং সেগুলো ভালো আছে, নষ্ট হয়নি। পেনড্রাইভে করে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার অন্য কোনো কম্পিউটারে নিতে চাইলে সেগুলো জিপ করে নেবেন।

জিপ করা ফাইল বা ফোল্ডারে ভাইরাস আক্রমণ করে না। কোনো ফাইল বা ফোল্ডার জিপ করতে চাইলে সেটিতে ডান ক্লিক করে Send to Compressed (Zipped)-এ ক্লিক করুন। দেখবেন জিপ হয়ে গেছে। আবার আনজিপ করতে চাইলে সেটিতে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Extract All-এ ক্লিক করে পরপর দুবার Next-এ ক্লিক করতে হবে। তাহলেই জিপ ফাইল আনজিপ হয়ে আগের অবস্থায় ফিরে আসবে।

মোবাইল


জেনে নিন মোবাইলের কোড সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ন কোডঃ
আপনি যদি গ্রামীনফোন ব্যবহার করে থাকেননিজের নাম্বার জানতে *১১১*৮*২#নিজের নাম্বার জানতে *#ব্যালেন্স জানতে *৫৬৬#রিচার্জকরতে *৫৫৫* গোপন নাম্বার #কাস্টমার কেয়ার : ১২১ এ ফোন দিয়ে ১ প্রেস করে ০অন্য অপারেটরথেকে গ্রামীন ফোন কাস্টমার কেয়ার০১৭১১-৫৯৪৫৯৪

আপনি যদি বাংলালিংকব্যবহার করে থাকেননিজের নাম্বার জানতে *৫১১#নিজের নাম্বার জানতে *৬৬৬#ব্যালেন্স জানতে *১২৪#রিচার্জকরতে *১২৩* গোপন নাম্বার #কাস্টমার কেয়ার : ১২১ অথবা ২১২যে কোনো অপারেটরথেকে বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ার ০১৯১১-৩০৪১২১

আপনি যদি এয়ারটেলব্যবহার করে থাকেননিজের নাম্বার জানতে *১২১*৬*৩#ব্যালেন্স জানতে *৭৭৮#রিচার্জকরতে *৭৮৭* গোপন নাম্বার # কাস্টমার কেয়ার : ৭৮৬অন্য অপারেটরথেকে এয়ারটেল কাস্টমার কেয়ার ০১৬৭৮৬০০৭৮৬


আপনি যদি রবি ব্যবহার করে থাকেননিজের নাম্বার জানতে *১৪০*২*৪#ব্যালেন্স জানতে *২২২#রিচার্জকরতে *১১১* গোপন নাম্বার # কাস্টমার কেয়ার : কাস্টমার কেয়ার : ১২৩ এ ফোন দিয়ে ১ প্রেস করে ০ যেকোনোঅপারেটরথেকে রবিকাস্টমার কেয়ার ০১৮১৯৪০০৪০০

আপনি যদি টেলিটক ব্যবহার করে থাকেননিজের নাম্বার জানতে মেসেজ অপশনে লিখুন TAR পাঠিয়ে দিন ২২২ নাম্বারে ব্যালেন্স জানতে *১৫২#রিচার্জকরতে *১৫১* গোপন নাম্বার # কাস্টমার কেয়ার : ১২১ যেকোনোঅপারেটরথেকে টেলিটককাস্টমার কেয়ার ০১৫৫-০১৫৭৭৫০ থেকে ৬০

জিএসএম প্রযুক্তি সম্বলিত না হওয়ায়সিটিসেল এ ইউএসএসডি সার্ভিস নেই, তবুও কিঞ্চিত তথ্য জেনে নিতে পারেন সিটিসেল সম্পর্কে ।
আপনি যদি সিটিসেল ব্যবহার করে থাকেননিজের নাম্বার জানতে কিংবা যেকোনো বিষয়ে সহযোগিতার জন্য মেসেজ অপশনেলিখুন Help পাঠিয়ে দিন ২২৫৫ নাম্বারে, কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভআপনাকে ফোন করবে তাকেই জিজ্ঞাসাকরা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই, তবে একটিকার্ড রিচার্জ করেও জেনে নিতে পারেন, অথবা আপনার রিম এর পেছনে লিখাসিরিয়াল নাম্বার গুলো কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভ এর নিকট জানাতে পারলেতারা আপনাকে আপনার নাম্বারটি বলতে পারবে, এছাড়া সিটিসেল এর আর কোনোনির্ভরযোগ্য পদ্ধতি নেই নিজের নাম্বার জানার বা দেখার ।ব্যালেন্স জানতে বা দেখতে *৮৮৭ডায়ালব্যালেন্স শুনতে *৮১১ডায়াল রিচার্জকরতে *৮৮৮ডায়াল কাস্টমার কেয়ার : ১২১ যেকোনোঅপারেটরথেকে সিটিসেলকাস্টমার কেয়ার ০১১৯৯-১২১১২১

https://tackk.com/mostafa10
এর সৌজন্যে প্রাপ্ত


***

বদলে ফেলুন ফেসবুক থিম


এখন থেকে আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক পেইজে দিতে পারেন পছন্দের থিম। এ জন্য আপনাকে গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে।

১. প্রথমে Chrome Web Store এ যান। Facebook Themes এক্সটেনশনটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন।

২. ওয়েবপেজটির একদম ডান পাশে এক্সটেনশনটি বরাবর Free অথবা Add to Chrome Button এ ক্লিক করুন। একটা ছোট্ট উইন্ডো আসবে। সেখানে Add এ ক্লিক করুন।

৩. এক্সটেনশনটি ডাউনলোড হতে কয়েক সেকেন্ড সময় লাগতে পারে। এবার Customize and Control Google Chrome > Tools > Extensions এ যান। অথবা আপনি অ্যাড্রেসবারে লিখতে পারেন: chrome://extensions/ তাহলে দেখবেন ইনস্টল করা সব এক্সটেনশনের তালিকা দেখাচ্ছে।

৪. Facebook Themes এক্সটেনশনে গিয়ে Option এ ক্লিক করুন। এবার Explore ট্যাবে ক্লিক করুন। তাহলে এখানে ফেসবুক Theme এর তালিকা দেখাবে।

৫. অথবা Add করার সঙ্গে সঙ্গে একটি উইন্ডো খুলে যাবে যেখানে অনেকগুলো থিম দেখাবে। বাম পাশে থিম ক্যাটাগরি থেকেও পছন্দের থিম খুঁজে নিতে পারেন।

৬. আপনার পছন্দের থিমে গিয়ে Install এ ক্লিক করুন। ভেরিফাই করার জন্য Installed ট্যাবে ক্লিক করুন। অথবা Apply Theme এ ক্লিক করুন।

৭. এবার ফেসবুক খুলে দেখুন আপনার পছন্দের থিম দেখাচ্ছে। এভাবে যেকোনো থিম পছন্দ করতে পারেন।

এরপর ডিফল্ট থিমে ফিরে যেতে চাইলে অ্যাড্রেসবারে chrome://extensions/ লিখুন। তালিকায় facebook themes এক্সটেনশনটি আন চেক বা Disable করে দিলেই হয়ে যাবে।

- See more at: http://iportbd.com/details.php?id=10330#sthash.X6...

* দেখেনিন কি করে খুব সহজ উপায়ে "মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট" থেকে "পিডিএফে" রূপান্তর করবেন।-

1-  http://dhakatimes.com.bd/2013/12/25/25056/convert-...

2- http://www.microsoft.com/en-us/download/details.aspx?id=7

Comment Stream